ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র
প্রস্তাবিত ব্যবহার মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা তা নিশ্চিত করে। নির্মাণ অনুমতির আগে এটিই প্রথম ধাপ।
- মূল ফি
- ৫,০০০ টাকা
- ভ্যাট (১৫%)
- ৭৫০ টাকা
- সর্বমোট
- ৫,৭৫০ টাকা
- নির্ধারিত সময়
- ৩০ দিন
- মেয়াদ
- ২৪ মাস
সুরমা উপত্যকা · সিলেট মহানগর উন্নয়ন এলাকা
ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র, নির্মাণ অনুমতি ও ব্যবহার সনদ — তিনটিই অনলাইনে। আবেদন জমা দিন, ফাইলটি কোন ডেস্কে আছে দেখুন, ফি পরিশোধ করুন, আর এমন সনদ নিন যা যে কেউ যাচাই করতে পারে।
নিবন্ধনে খরচ নেই। সনদ যাচাইয়ে অ্যাকাউন্টও লাগে না।
কর্তৃপক্ষ যে প্রক্রিয়া এখন অনুসরণ করে, এখানেও তাই — একই ফরম, একই ফি, একই কর্মকর্তা। শুধু কাগজের ফাইলের বদলে এমন কিছু, যার অগ্রগতি নিজের ফোনেই দেখা যায়।
প্রস্তাবিত ব্যবহার মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা তা নিশ্চিত করে। নির্মাণ অনুমতির আগে এটিই প্রথম ধাপ।
বিদ্যমান ছাড়পত্রের বিপরীতে নকশা অনুমোদন। স্থাপত্য, কাঠামো ও পরিকল্পনা — পর্যায়ক্রমে তিনটি ডেস্কে পর্যালোচনা।
অনুমোদিত নকশার সঙ্গে মিলিয়ে সমাপ্তি পরিদর্শনের পর সম্পন্ন ভবনটি ব্যবহারের উপযোগী মর্মে সনদ।
আগে ফাইল কাউন্টারের ওপাশে চলে যেত, আর খোঁজ মিলত না। এখন সেটি নির্দিষ্ট ডেস্ক থেকে ডেস্কে যায়, আর কোন ডেস্কে আছে তা আবেদনকারীর পর্দাতেই দেখা যায়।
নিজের নাম ও ইমেইলে অ্যাকাউন্ট। কর্তৃপক্ষের কেউ আপনার হয়ে অ্যাকাউন্ট খুলবে না।
প্রয়োজনীয় সেবার ফরম পূরণ করে কাগজপত্র সংযুক্ত করুন। সঙ্গে সঙ্গেই রেফারেন্স নম্বর পাবেন।
নির্ধারিত সময়ে ফি পরিশোধ করুন, তারপর যাচাই থেকে পরিদর্শন হয়ে অনুমোদন পর্যন্ত অগ্রগতি দেখুন।
পিডিএফ আকারে সনদ নামিয়ে নিন — এতে থাকা কোড ব্যাংক, ঠিকাদার বা যেকোনো দপ্তর যাচাই করতে পারবে।
অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গেই সনদ তৈরি হয় — দুই ভাষায়, রেফারেন্স নম্বর, ইস্যুর তারিখ ও মেয়াদসহ। কোণে থাকা কোডটি স্ক্যান করলেই কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ঠিকানায় গিয়ে সনদটি বৈধ কিনা তা দেখা যায়।
যাচাইযোগ্য
কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা যেকোনো সনদের কিউআর কোড স্ক্যান করুন, অথবা কোডটি পাশে লিখুন। অ্যাকাউন্ট বা প্রবেশের দরকার নেই — যার হাতে সনদটি আছে, এটি তার জন্য।
ফলাফলে কেবল দেখা যাবে সনদটি বৈধ, মেয়াদোত্তীর্ণ নাকি বাতিল — কারও আবেদনের ভেতরের তথ্য কখনোই নয়।
আবেদন করতে বা আবেদনের অগ্রগতি দেখতে হ্যাঁ। নিজের নাম ও নিজের ইমেইলে নিবন্ধন করতে হবে — কর্মকর্তারা আপনার হয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন না, কারণ এই অ্যাকাউন্ট দিয়েই কর্তৃপক্ষ বোঝে আবেদনটি আপনারই।
শুধু সনদ যাচাই করতে কোনো অ্যাকাউন্ট লাগে না।
ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রে ৫,০০০ টাকা ও ১৫% ভ্যাট। নির্মাণ অনুমতিতে ১০,০০০ টাকা, সঙ্গে ফ্লোর এরিয়ার প্রতি বর্গফুট ১২ টাকা ও ভ্যাট। ব্যবহার সনদে কোনো ফি নেই।
আপনার দেওয়া তথ্য থেকেই ফি হিসাব হয় এবং পরিশোধের আগে হিসাবসহ দেখানো হয় — মূল অঙ্ক, ক্ষেত্রফল ও ভ্যাট আলাদা করে।
ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রের নির্ধারিত সময়সীমা আবেদনের তারিখ থেকে ৩০ দিন। বাকিগুলো নির্ভর করে আবেদনের ধরনের ওপর: সাধারণ অনুমতি তিনটি কারিগরি ডেস্ক পার হয়, আর বড় বা শিল্প-প্রস্তাব সদস্য (পরিকল্পনা)-এর অতিরিক্ত পর্যালোচনায় যায়।
যাই হোক না কেন, ফাইলটি কোন ডেস্কে আছে তা আপনার পর্দায় দেখা যাবে।
ডেস্ক থেকে আবেদনটি নির্দিষ্ট আপত্তিসহ আপনার কাছে ফেরত আসবে — কোন ঘর বা কোন কাগজে সমস্যা এবং কেন, তা লেখা থাকবে। শুধু সেটুকু ঠিক করে দিলেই আবেদনটি আবার একই ডেস্কে ফিরে যায়।
আগে দেওয়া কাগজপত্র সংযুক্তই থাকে। একটি রসিদের মেয়াদ শেষ বলে সব কাগজ নতুন করে দিতে হয় না।
হ্যাঁ। কাউন্টারের কর্মকর্তা সরাসরি আসা আবেদনকারীর হয়ে আবেদন এন্ট্রি করতে এবং ব্যাংক ড্রাফটে ফি নিতে পারেন। এরপর ফাইলটি অন্য সবার মতো একই ডেস্কগুলো হয়েই এগোয়।
অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে যেকোনো সময় সনদটি আবার নামিয়ে নেওয়া যায়। সনদের কিউআর কোড একই থাকে, তাই আগের কপি যাচাই করলেও একই ফল আসবে।